fbpx

ছন্দে ছন্দে পল্লী কবি জসীম উদ্দীন

আজকের এই পোষ্টে এ আমরা আলোচনা করবো:  পল্লী কবি জসীম উদ্দীনকে নিয়ে। চলুন শুরু করা যাক। 

১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। কাহিনী, কাব্য, ছন্দ ও গীতিময়তায় তিনি বাংলা কাব্যে নব দিগন্তের সূচনা করেন। পল্লী বাংলার সুখ, দুঃখ, হাসি , কান্না বিরহ বেদনা তার লেখায় জীবন্তভাবে ধরা দিয়েছে। ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় ইন্তেকাল করেন।

রচিত_কাব্য_গ্রন্থঃ

 ভয়াবহ দিন গুলি

 রঙ্গিলা নায়ের মাঝি

 রাখালী

 মা যে জননী কান্দে

 মাগো জ্বালায়ে রাখিস আলো।

 সূচয়িনী

 কাপনের মিছিল

 মাটির কান্না

 হলুদ বরনী

 ডালিম কুমার

 হাসু

 নকসী কাঁথার মাঠ

 বালুচর

 সোজন বদিয়ার ঘাট

 জলের লেখা

 এক পয়সার বাঁশী

 রুপবতী

 সখিনা।

মনে রাখার টেকনিকঃ-ভয়াবহ সেই দিন গুলোতে রঙিলা নায়ের মাঝি রাখালী তার মা, সূচয়িনীকে কাপনের কাপড় পরিয়ে মাটিতে শোয়ালো। অন্যদিকে হলুদ বরণী নকশী কাঁথা জড়িয়ে বালুচরের ধানক্ষেত পেরিয়ে সোজন বদিয়ার ঘাটের জলে ডালিম কুমার হাসু এক পঁয়সার বাঁশী নিয়ে রুপবতী সকিনার জন্য দাড়িয়ে রইলো।

রচিত_নাটকঃ-

গ্রামের মেয়ে

পল্লীবধু

মধুমালা

ওগো পুস্পধেনু

বেদের মেয়ে।

গ্রামের মায়া

মনে রাখার টেকনিকঃ—এক গ্রামের পল্লীবধু মধুমালা পুস্পধেনু নিয়ে পদ্মাপারের বেদের মেয়ের জন্য অপেক্ষা করছে।

ভ্রমন_কাহিনী

চলে মুসাফির

হলদে পরীর দেশ

যে দেশে মানুষ বড়

জসীম উদ্দীন সম্পর্কিত তথ্যকণিকাঃ-

বাংলা সাহিত্যে পল্লী কবি খ্যাত জসীম উদ্দীন।

জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ রাখালী।

মা যে জননী কান্দে কোর ধরনের রচনা-কাব্য।

তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছেন জসীম উদ্দীন।

কবর কবিতাটির লেখক জসীম উদ্দীন।

জসীম উদ্দীনের কবর কবিতাটি কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

‘নক্সী কাঁথার মাঠ’-একটি কাহিনী কাব্য।

জসীম উদ্দীনের নিমন্ত্রণ কবিতাটি ধানখেত গ্রন্থের অনুর্ভুক্ত।

‘সোজন বদিয়ার ঘাটে’-এর রচয়িতা- জসীম উদ্দীন।

‘রঙ্গিলা নায়ের মাঝি’ এর লেখক –জসীম উদ্দীন

জসীম উদ্দীনের আসমানী চরিত্রটি বাড়ি ফরিদপুর।

পল্লী কবি জসীম উদ্দীনের উপন্যাস মোট একটি।

বেদের মেয়ে জসীম উদ্দীনের একটি নাটক।

‘কাঁচা ধানের পাতার মত কচি মুখের ভাষা”-কবি কার প্রসঙ্গে বলেছেন-রূপাই।

আসমানীদের দেখতে কোথায় যেতে হবে রসুলপুর।

কবর কবিতাটি কোন কাব্য গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত-রাখালী।

জসীম উদ্দীন কবর কবিতা রচনার সময় কলেজে পড়তেন।

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button