fbpx

হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর উপদেশ


হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর উপদেশ মূল্যবান উপদেশ শুনতে শুনতে হজরত আলী বিনয়ী সুরে জিজ্ঞেস করলেন-…!!
হে রাসূল করীম সাঃ..!! কোরআনে বলা হয়েছে আদম তার মাবুদের কিছু শব্দ শিখল..! শব্দগুলো কী ছিল বলবেন কী?..

হযরত মুহাম্মদ সাঃ মৃদু হেসে বলতে লাগলেন..!


শুনো হে আলী-আল্লাহ তাঁর সৃষ্টি হাওয়াকে জেদ্দায় আর আদমকে হিন্দুস্থানে নামিয়ে দিলেন..!!
তারা দু’জন বেহেশতের বাগানে সুখে জীবনযাপন করছিলেন..!

ইবলিস তাদের ধোঁকা দিয়েছিল সাপ আর ময়ূরের মাধ্যমে..!
বেহেশতের বাগানে সাপ এবং ময়ূর ছিল এক উত্তম সৃষ্টি..!
সে সময় সাপের ছিল উটের পায়ের মতো চার পা কতাই না সৌন্দর্য ছিলো তাদের..!
ইবলিস তাকে ব্যবহার করে আদম আঃ কে ধোঁকা দিল..!
এ ঘটনায় আল্লাহ তা’আলা সাপের প্রতি ভীষণ রেগে গেলেন..!
সাপের চার পা খসিয়ে দিয়ে তাকে শাস্তি দিলেন..!
আল্লাহ তা’আলা তাকে বললেন যাও..!

আজ থেকে তুমি মাটি খেয়ে জীবন কাটাবে..!
মাটিতে বুক ঘেঁষে হেঁটে জীবন-যাপন করবে..!
আর তোমার প্রতি যে করুণা দেখাবে, তাকে আমি করুণা করব না..!
এরপর আল্লাহ তা’আলা ময়ূরের প্রতি রেগে গেলেন..!

 হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর উপদেশ, হযরত মুহাম্মদ সাঃ ,

ময়ূরই ইবলিসকে সেই বৃক্ষ চিনিয়ে দিয়েছিল, যে বৃক্ষের ফল খেয়ে মাবুদের আদেশ অমান্য করেছে আদম-হাওয়া {আঃ}..!
শাস্তি হিসেবে ময়ূরের মিষ্টি কণ্ঠ বিশ্রি আওয়াজে পরিণত করে দিলেন..!
আর তার সুন্দর সুশ্রী পা দুটিকে পলকেই বানিয়ে দিলেন বিশ্রী..!

হযরত মুহাম্মদ সাঃ – আলী রাঃ কে বলেন..!
হে আলী এরপর কী হল জানো? একশ বছর একনাগাড়ে হিন্দুস্থানে একাকী জীবনযাপন করলেন আদম আঃ..!
এ সময় তিনি মাথা নত করে হাত দুটি মাথায় রেখে ভুলের জন্য শুধু কেঁদে বেড়াতেন..!

একদিন আল্লাহ তা’আলার কী দয়া হল, -জিবরাইল’কে ডেকে তিনি আদমের কাছে পাঠালেন..!
জিবরাইল আদম আঃ কে ডেকে বললেন- হে আদম আঃ সালাম গ্রহণ করুন আপনার আল্লাহ তা’আলার..!
আপনাকে তিনি বলতে বলেছেন,-

আল্লাহ তা’আলা বললেন হে আদম আমি তোমাকে আমার কুদরতি হাতে সৃষ্টি করিনি?
আমি আত্মা থেকে কী তোমার আত্মায় রূহ ফুঁকে দেইনি..
! আমার ফেরেশতাদের কি তোমাকে সিজদা করতে বলিনি?
আমার দাসী হাওয়াকে কি তোমার স্ত্রী বানিয়ে দেইনি?
তোমাকে কি আমার জান্নাতের-বাগানে থাকতে দেইনি?

হে আদম- এখন কেন তোমার এত কান্না?
যদি ক্ষমা পেতে চাও এখনই ক্ষমার বাক্য উচ্চারণ কর..!

আদম আঃ বলেন হে আমার রব তুমি পবিত্র..!
কোনো উপাস্য নেই তুমি ছাড়া..!
খুবই মন্দকাজ করেছি আমি.!
অত্যাচার জুলুম করেছি নিজের প্রতি..!
হে উপাস্য আমার..!!
তওবা কবুল করে নাও ওগো..!!
তুমি যে তওবা কবুলকারী..!
হে আমার দয়াময় মাবুদ..!!

আল্লাহ তা’আলা আদম আঃ কে সব কিছুর জ্ঞান দান করেছেন…! তারপর আল্লাহ তা’আলা ফেরেস্তাহগণদের কে কিছু জিনিসের নাম জিজ্ঞেস করেছিলেন..!! তারা উওরে বললেন হে আল্লাহ আপনি তো সর্ব জ্ঞানী..! আমরা তো শুধু ততোটুকু জনাই যতটুকু আপনি আমাদের কে শিখিয়েছিলেন..! তারপর আল্লাহ তা’আলা আদম আঃ কে সেই জিনিস গুলোর নাম জিজ্ঞেস করেছিলেন..!! আদম আঃ ফেরেস্তাহদের সামনে সেই নাম গুলো বলে দিলেন..!! এরপর আল্লাহ তা’আলা ফেরেস্তাহ গণ দের কে ডেকে বলেন হে আমার ফেরেস্তাহ গণ আমি আদম কে এমন জ্ঞান দান করেছি যা আমার সৃষ্টির মাঝে কাউকে দিই’নি এবং কি তোমাদেরকে ও না..!! এরপরে আল্লাহ তা’আলা বলেন -যে তিনি সব কিছু জানেন কে গোপন করে আর কে প্রকাশ করে কোনো কিছু তার জ্ঞানের আওতাধীন নয়..! এইখানে একটি আশ্বর্যজনক ব্যাপার ঘটলো..! তখন সেইখানে আদম আঃ এবং সব ফেরেস্তাসহ উপস্থিত ছিল..!! আর তাদের মধ্যে গোপন করার কিছুই ছিলো না..! ইবলিশ ও সেইখানে উপস্থিত ছিলো..! কিন্তু একমাত্র ইবলিশ তার অন্তরে রাগ হিংসা অহংকার গোপন করে রেখেছিল..!! যার পরে..!! {সূরা আল- বাক্বারায় আয়াত 31-33টি নাজীল হয়..!!}

হযরত মুহাম্মদ সাঃ হলেন সেরা নবী। হযরত মুহাম্মদ সাঃ আমাদের শেষ যামানার নবী। হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর বিখ্যাত উক্তি বা বাণী গুলোও আরো সেরা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button