fbpx
বাংলাদেশবিজ্ঞানবিশ্ব

মরিচা পড়া লোহা থেকে ধনুষ্টংকার!

ধনুষ্টংকার

মরচে পড়া লোহায় কী এমন থাকে যে তাতে পা কেটে গেলে টিটেনাস ইনজেকশন দিতে হয়?

মরচে পড়া লোহায় মরিচার সাথে আরও থাকতে পারে ময়লা আবর্জনা এবং বিভিন্ন ধরণের জীবাণু। এই জীবাণু গুলোই আমাদের জন্য বেশি ক্ষতিকর।

একপ্রকার ব্যাকটেরিয়া Clostridium tetani যা সাধারণত মাটি, আবর্জনা ও নোংরা স্থানে পাওয়া যায়। এই ব্যাকটেরিয়ার স্পোর যখন তীক্ষ্ণ পেরেক বা ওই জাতীয় জীবাণু বাহিত বস্তু দ্বারা চামড়া ভেদ করে শরীরের মাংসপেশিতে প্রবেশ করে তখন সেগুলো বংশবিস্তারের মাধ্যমে এক প্রকার টক্সিন (tetanospasmin) তৈরি হয়। এ টক্সিন মানবদেহের মোটর নিউরনে আক্রমন করে যা মাংসপেশির সন্ঞ্চালন নিয়ন্ত্রণ করে।

সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে পেশী খিঁচুনি ক্রমশ চোয়ালেও পরিলক্ষিত হয়, ফলে এই রোগের একটি সাধারণ নাম হল দাঁতকপাটি । এই রোগের অন্যান্য লক্ষণগুলি হল-
১. পেশীর অনমনীয়তা,
২. গিলে খেতে অসুবিধা এবং
৩. দেহের অন্যান্য অংশে খিঁচুনি।
শরীরের পেছনের মাংসপেশিগুলো সংকুচিত হয় বলে পুরো শরীর ধনুকের মতো বেঁকে যায়। এই কারণে এই রোগকে (ধনুঃ + টঙ্কার) ধনুষ্টংকার বলে।

করোনা নিয়ে পড়তে ক্লিক করুন

আরো দেখুন

সমবিষয়ক আর্টিকেল

Leave a Reply

Your email address will not be published.