fbpx

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা

আজকে আমরা আলোচনা করবো দুর্যোগ  কী ? কেন সংঘঠিত হয় ? কীভাবে এর থেকে প্রতিকার পাওয়া যাবে।  প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা

চলুন কথা না বিাড়িয়ে শুরু করা যাক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা: 

দুর্যোগ হচ্ছেঃ 

দুর্যোগ হচ্ছে এরূপ ঘটনা যা সমাজের মানুষের কাজকর্মে প্রচন্ডভাবে বিঘ্ন ঘটায় এবং জীবন, সম্পদ, সমাজ ও পরিবেশের ক্ষতিসাধন করে।


কোনো প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট অবস্থা যখন অস্বাভাবিক ও অসহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি করে, তখন তাকে দুর্যোগ বলে।
দুর্যোগ বলতে সাধারণভাবে মানুষের জীবন, সমাজ ও পরিবেশে সৃষ্ট অস্বাভাবিক অবস্থাকে বোঝায়। যেমন: ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, যুদ্ধ ইতাদি।

দুর্যোগের কারণসমূহ:


বিভিন্ন কারণে দুর্যোগের সৃষ্টি হতে পারে, যেমন বন্যা সৃষ্টির কারণ হচ্ছে অতি বৃষ্টি, পলি পড়ে নদী ভরাট, সমুদ্রের জোয়ার, ভূমিকম্প প্রভৃতি। আবার ভূমিকম্প সৃষ্টির কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে ভূ-পৃষ্ঠের চ্যুতি ও ফাটলে শিলার অবস্থানা পরিবর্তন, ভূ-অভ্যন্তরে গলিত লাভা বা গ্যাসের প্রবল ধাক্কা, আগ্নেগিরির উদগীরণ ইত্যাদি।
সমুদ্রের উত্তপ্ত তাপমাত্রা, সমুদ্রে সৃষ্ট নিম্নচাপ, বায়ুম-লে বাতাসের গতিবেগ এক হওয়া প্রভৃতি কারণে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হতে পারে।
খরা সৃষ্টির কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অনাবৃষ্টি, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া, বৃক্ষ নিধন প্রভৃতি।

 

দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা,বন্যা প্রজেক্ট, বন্যার কারণ, বন্যা প্রতিবেদন, বন্যা পরিস্থিতি ২০২০, বন্যা নিয়ন্ত্রণের উপায়, বন্যার উপকারিতা, বন্যা মোকাবেলায় করণীয়, বাংলাদেশে বন্যার কারণ,
বন্যার কারণ দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা
প্রাকৃতিক দুর্যোগ

পৃথিবীতে যে প্রাকৃতিক দুর্যোগটি সবচেয়ে বেশি আঘাত হানে, সেটি হলো ঘূর্ণিঝড়।
নিম্নচাপজনিত কারণে, যখন বাতাসের গতিবেগ বৃদ্ধিপায় এবং ঘূর্ণনের আকারে বাতাস প্রবাহিত হয়, তখন তাকে ঘূর্ণিঝড় বলে।
ঘূর্ণিঝড় শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone
Cyclone শব্দটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে এসেছে।
Kyklos শব্দের অর্থ Coil of snakes (সাপের কুন্ডলী)।
ঘূর্ণিঝড় সমুদ্রে উৎপত্তি লাভ করায় উপকূলবর্তী দেশ বা অঞ্চলসমূহে বেশি আঘাত হানে।
প্রশান্ত মহাসাগর, উত্তর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভারত
মহাসাগর অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রকারভেদঃ
ঘূর্ণিঝড় ৩ প্রকারের হয়ে থাকে। যথাঃ
ক. সাধারণ
খ. টর্নেডো
গ. সাইক্লোন
সাইক্লোনের সৃষ্টি হয় মূলত দুটি কারণে। যথা:
ক. নিম্নচাপ
খ. উচ্চ তাপমাত্রা

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিন দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা 
ঘূর্ণিঝড় সবচেয়ে বেশি আঘাত হানে – আটলান্টিক এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে।ঘূর্ণিঝড় সবচেয়ে বেশি আঘাত হানে নিরক্ষরেখার ১০০- ৩০০ এর মধ্যে।পৃথিবীতে তাপের ভারসাম্য রক্ষা করে ঘূর্ণিঝড়।ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা মাপা যায় স্যাফির সিস্পসনের স্কেলের মাধ্যমে।হালকা বাতাস ও হালকা মেঘ দিয়ে গঠিত ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রকে বলা হয় আয়ন।ঘূর্ণিঝড়ের আয়ন এর ব্যাসার্ধ হতে পারে ২০-১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত। ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাসার্ধ সাধারণত (৫০০-৬০০) কিলোমিটারপর্যন্ত হতে পারে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা 

 

প্রাকৃতিক দুযোগ থেকে আমাদের বেঁচে থাকার জন্য আমাদের বেশি বেশি করে গাছ লাগানো উচিত। 

বাংলাদেশে প্রধানত ২ ধরনের দুর্যোগ  লক্ষ্য করা যায়। 

১. মানবসৃষ্ট দুর্যোগ 

২. প্রাকৃুতিক দুর্যোগ 

প্রোকুতিক দুযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে  এই পোষ্টটি পেড়তে পারেন। পোষ্টটি পড়তে 

ক্লিক করুনঃ

যদি কোন নতুন তথ্য জানতে চান তবে প্রশ্ন করতে পারেন। 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also
Close
Back to top button