fbpx

এক সাথে অধিক বজ্রপাত বা সুপার বোল্টের কারণ

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে ঠান্ডার বোল্ট এর চাইতে সুপার বোল্ট এর সংখ্যা পৃথিবীতে দিন দিন বাড়ছে। এক সময় শুধু সাইন্স ফিকশনে সুপার বল্ট এর কথা শোনা যেত। কিন্তু সম্প্রতি এক গবেষনায় দেখা গেছে সত্যি সত্যি সুপার বোল্ট এর অস্তিত্ব রয়েছে যা কিনা সাধারণ বজ্রপাতের চাইতে প্রায় ১০০০গুন বেশি উজ্জ্বল এবং শক্তিশালী। ১৯৭০ সালে প্রথম সুপার বোল্ট সম্পর্কে ধারণা দেন বিজ্ঞানিরা।

যদিও এতোদিন এটা নিয়ে খুব একটা গবেষণা হয়নি,তবে ২০১৮-২০২০ সাল পর্যন্ত স্যাটেলাইট ডাটা বিশ্লেষণ করে সুপার বল্টের চমকপ্রদ অস্তিত্ব খুজে পেয়েছেন। প্রমান পেয়েছেন যে একটি সুপার বল্ট এর মাধ্যমে প্রায় ১০০ গিগা ওয়াট শক্তি সম্পন্ন বজ্রপাত তৈরি হয়।এমনকি এই গবেষণায় ১৬৩ টি সুপার বল্টের অস্তিত্ব খুজে পাওয়া গেছে।এর আগে ১৯৭৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় সুপার বল্টের খোজ পাওয়া গেছিলো যা কিনা পারমাণবিক বোমার সমান শক্তি সম্পন্ন বলে জানিয়েছিল নিউইয়র্ক টাইমস।

সুপার বল্ট তৈরি

 সুপার বোল্ট , বজ্রপাত ,সুপার বল্ট তৈরি
বজ্রপাত

মেঘের বিপুল শক্তিশালী বিদ্যুৎ ক্ষেত্র তার বাতাসের চার পাশের অপরিবাহী ধর্মকে নষ্ট করে দেয়, যাকে বলে ডিইলেক্ট্রিক ব্রেকডাউন। মেঘে অবস্থিত বিদ্যুৎ ক্ষেত্র যখন যথেষ্ট শক্তিশালী হয় প্রতি ইঞ্চি তে প্রায় দশ হাজার ভোল্ট বিদ্যুৎ শক্তির উপস্থিতি পাওয়া যায়, তখন তার আশেপাশের বাতাস পজেটিভ এবং নেগেটিভ চার্জে বিভক্ত হয়ে যায়।এই আয়নিত বাতাস প্লজমা নামেও পরিচিত। বাতাস আয়নিত হয়ে মেঘ এবং ভূপৃষ্ঠের মধ্যে বৈদ্যতিক চলাচলের পথ বা শর্ট সার্কিট তৈরী করে দেয় এবং বজ্রপাত ঘটায়। এই শর্ট সার্কিটের শক্তির কারণেই মুলত সুপার বল্ট তৈরি হয়।

সুপার বোল্টের কারণ

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also
Close
Back to top button